সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, প্রথম ১৮০ দিনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরো কার্যকর করা, নগর ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি আরো বলেন, এসব কার্যক্রমের বাস্তব অগ্রগতি এবং জনগণের ওপর এর ইতিবাচক প্রভাব যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে হবে। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী ক্ষমতায়ন, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগসমূহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রি আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রণীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোর অর্জন, চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা যেন তথ্যভিত্তিক ও বাস্তবসম্মতভাবে উপস্থাপিত হয়, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে গৃহীত কার্যকর পদক্ষেপগুলোও ১৮০ দিনের অর্জনের অংশ হিসেবে গুরুত্বের সাথে উপস্থাপন করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, জনকল্যাণভিত্তিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনই সরকারের মূল লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ দর্শনের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী ঢাকা মহানগরীসহ সারা দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরো আধুনিক, সমন্বিত ও টেকসই করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।
সূত্রঃ পিআইডি